বরগুনার আমতলী সদর ইউনিয়নের ছোটনীলগঞ্জ গ্রামে রবিবার সকাল ৯ টার জমি জমা নিয়ে বিরোধে ২০ জন আহত হয়েছে।
জানাগেছে, ছোটনীলগঞ্জ গ্রামের মো. পাশা হাওলাদার গংদের সাথে জমি জমা নিয়ে একই গ্রামের মো. জলিল গাজী গংদের ১০ বিঘা জমি নিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ বিরোধ চলে আসছে।
এই বিরোধকে কেন্দ্র করে রবিবার সকালে জলিল গাজী গংরা জমিতে হালচাষ করতে গেলে পাশা হাওলাদার গংরা বাধা প্রদান করেন। এসময় উভয় গ্রপের সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। উভয় পক্ষই দেশিয় অস্ত্র রামদা ছেনা নিয়ে সংঘর্ষে কুপিয়ে পিটিয়ে আহত করেন।আহতরা হলেন,পাশা হাওলাদার(৪৬)রুস্তম হাওলাদার(৭৫) খোকন(৩৫) মহসিন (২৮) মাহবুব(৪৫) সোহেল মোল্লা(৪০)মাহবুবুর রহমান(৫০)ইমরান হোসাইন(২৪)জাহিদুল গাজী(৩৫)জলিল গাজী(৪৮) ফয়সাল গাজী(২৭)আখিনুর বেগম(৩৫)সহ ২০ জন। আহতদের আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স্রে ভর্তি করা হয়েছে।
আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাঃ লুনা বিনতে হক জানান, আহতদের যথাযথ চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়েছে।
এ বিষয় পাশা হাওলাদার বলেন,এই বিরোধীয় জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে, জলিল গাজী গংরা আদালতের আদেশ অমান্য করে ভাড়াটে লোকজন এনে জোর করে জমি চাষ করে রোপন করতে যায় আমরা বাধা দিলে আমাদের কুপিয়ে পিটিয়ে আহত করেন আমি এঘটনার বিচার চাই।
অপর পক্ষ জলিল গাজী পক্ষের মো. মাহবুবুর রহমান বলেন. আমরা ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত জমি ও আদালতের রায় অনুযায়ী হাল চাষ করতে গেলে তখন পাশা হাওলাদার গংরা আমাদের কুপিয়ে পিটিয়ে আহত করে আমরা এঘটনায় দৃষ্টান্তমুলক বিচার চাই।
আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ইয়াকুব হোসাইন মুঠোফোনে বলেন,এঘটনায় এখোনো কোন অভিযোগ পাইনাই। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
