ঢাকা ,
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. আইন আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. ইসলাম
  7. কৃষি
  8. খেলাধুলা
  9. জাতীয়
  10. তথ্যপ্রযুক্তি
  11. নেদারল্যান্ডস
  12. পর্যটন
  13. বিনোদন
  14. মতামত
  15. মেক্সিকো
আজকের সর্বশেষ সবখবর

হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে অনড় সরকার, ভারতের কাছে প্রত্যাশা ‘মুখ বন্ধ রাখা’

Bangladesh
সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬ ৬:৪৮ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্ট ও সুদৃঢ় রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। সম্প্রতি সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি তুলে ধরতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে কোনো ধরনের কূটনৈতিক কৌশল বা লুকোচুরি নেই। তিনি নিজে স্বেচ্ছায় ফিরে আসুন কিংবা বর্তমান সরকারের পক্ষ থেকে তাকে ফিরিয়ে আনা হোক, মূল লক্ষ্য হলো তাকে আইনগত প্রক্রিয়ার আওতায় আনা।

সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা আরও উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটরের বক্তব্য অনুযায়ী পলাতক আসামি হিসেবে শেখ হাসিনার আপিল করার আর কোনো আইনি সুযোগ অবশিষ্ট নেই। ফলে তিনি দেশে ফিরলে আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় কার্যকরের পথেই এগোতে হবে। তাকে প্রত্যর্পণের দাবিটি কোনো রাজনৈতিক চাপ তৈরির কৌশল নয়, বরং বিচার নিশ্চিত করার একটি আন্তরিক ও আইনগত প্রক্রিয়া বলে স্পষ্ট করেন তিনি।

এদিকে প্রতিবেশী দেশ ভারতে বসে শেখ হাসিনার বিভিন্ন গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেওয়া এবং রাজনৈতিক বক্তব্য রাখার বিষয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে ঢাকা। ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যর্পণ করা না হচ্ছে, ততক্ষণ অন্তত তাকে জনসমক্ষে বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত রাখার বিষয়ে ভারতের পদক্ষেপ নেওয়া উচিত ছিল। কিন্তু ভারত সরকারের কাছ থেকে এ বিষয়ে আশানুরূপ সহযোগিতা না পাওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেন তিনি।

দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নের স্বার্থে অবিলম্বে ভারতের একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন এই উপদেষ্টা। তিনি মনে করেন, ভারতীয় গণমাধ্যমে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার বন্ধ রাখা এবং তার মুখ বন্ধ রাখার উদ্যোগ নিলেই কেবল সম্পর্কের বরফ গলতে পারে। বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ক্ষোভের জন্ম দিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আস্থার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে উভয় দেশেরই সদিচ্ছা এবং দায়িত্বশীল আচরণ জরুরি।