আশাশুনিতে ডিডকৃত ও পৈত্রিক সম্পত্তির মৎস্য ঘের জবর দখলের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এব্যাপারে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। পুলিশ উভয় পক্ষকে কাগজপত্রসহ থানায় হাজির হতে বলেছেন।
শ্রীউলা ইউনিয়নের মৃত সাইদৃর রহমানের ছেলে ইউসুফ আলী জানান, তিনি লাঙ্গলদাড়িয়া মৌজায় পৈত্রিক ও ডিডকৃত ২১০ বিঘা জমিতে মৎস্য চাষ করে ২০২১ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ দখল করে আসছেন। ২০২৬ সালে আবু সাইদ সরদার গং, ডিগ্রীর খাল, শওকত হ্যাচারী ও আম্বিয়া খাতুনকে ৪.৭০ একর জমি বাদ রেখে ১৭৬.৫৭ বিঘা জমি আমার পাওনা হয়। কিন্তু তার মধ্যে ১৫৯ বিঘা জমি আমি বুঝে পেয়েছি। জমিতে গত ৬ মাসে মৎস্য চাষ করে ভোগজাত করে আসছি। এই জমি সকল পক্ষের জ্ঞাতসারে এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের শালিস ও হিসাব মেনে আমরা দখলিকার হিসাবে ভোগজাত করছি। প্রফেসর সিরাজুল কবিরের কোন জমি আমার ঘেরে মধ্যে নাই। তিনি তার অংশ জুলফিকর আলীর কাছে ডিড দিয়েছেন এবং নিজে খোরশেদ আলম, আলতাফ হোসেন ও সাকিলুর রহমানের জমি দখলে নিয়েছেন। তারপরও দীর্ঘ ৬ মাস পরে এসে আমার ঘেরের মধ্যে তার জমি পাওনা আছে দাবী করে কাউকে কিছু না জানিয়ে গত ১৪ জুন জমি দখল করতে আসেন। এবং ১৫ জুন জনমজুর নিয়ে শেওলা বাছার নাম করে দখল বুঝাতে চেষ্টা করেন। এব্যাপারে থানা পুলিশকে অবহিত করলে পুলিশ উভয় পক্ষকে থানায় হাজির হতে বলেছেন।
এব্যাপারে শ্রীউলা ইউনিয়ন বিএনপি সেক্রেটারী আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, সিরাজুল কবিরের জমি তিনি ইতিপূর্বে বুঝে পেয়েছেন। ইউসুফের ঘেরে তার কোন জমি নেই। যদি দখলের চেষ্টা করে থাকে অন্যায় হয়েছে।

এব্যাপারে সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে মোবাইলে জানতে চাইলে প্রফেসর সিরাজুল কবির জানান, ডিসেম্বর বা জানুয়ারী মাসে কোন শালিস মিমাংসা হয়নি। কোন শালিসকারকের স্বাক্ষরও নাই। ঈদের ৫/৬ দিন পূর্বে ৩ পক্ষের লোকজন বসে কথাবার্তা বলেন, কোন সিদ্ধান্ত থানা পুলিশ দেননি। আমি ইউসুফের ঘেরে কোন জমি পাবনা, বা দখল করতে যায়নি বলে তিনি দাবী করেন।
