ফরিদপুর সদরের বহুল আলোচিত মা-মেয়ের জোড়া হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনে ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম। ৪ জুন (বৃহস্পতিবার) তিনি কোতোয়ালী থানার মামলা নং-৫৮ (তারিখ: ১৫ মে, ২০২৬; পেনাল কোডের ৩০২/২০১/৩৪ ধারা) এর আলোকে ওই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
উল্লেখ্য, গত ১৫ মে ফরিদপুর কোতোয়ালী থানা এলাকার একটি স্থান থেকে নিখোঁজ এক মা ও তাঁর মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। দুর্বৃত্তরা তাদের নির্মমভাবে হত্যা করার পর লাশ গুমের উদ্দেশ্যে সেখানে মাটিতে পুঁতে রেখেছিল।
পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে দীর্ঘ আলাপ-আলোচনা করেন। তিনি ঘটনাস্থল থেকে সংগৃহীত বিভিন্ন আলামত ও সামগ্রিক প্রেক্ষাপট নিজে পর্যালোচনা করেন এবং এ পর্যন্ত তদন্তের অগ্রগতির খোঁজখবর নেন।
এ সময় হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন, জড়িত অপরাধীদের দ্রুত শনাক্তকরণ এবং তাদের আইনের আওতায় আনতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেন পুলিশ সুপার।
মা-মেয়ের এই জোড়া হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি পুলিশ অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছে। ঘটনার সাথে জড়িত অপরাধীদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার করে আইনের মুখোমুখি করতে পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করে যাচ্ছে।
মো. নজরুল ইসলাম, পুলিশ সুপার, ফরিদপুর
পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপারের সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন:
মো. আজমীর হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল)
মো. মাহমুদুল হাসান, অফিসার ইনচার্জ (ওসি), কোতোয়ালী থানাএবং জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।
পুলিশের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের অবস্থান শনাক্ত করতে জেলা পুলিশ ও গোয়েন্দা শাখা নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। খুব দ্রুতই এই মামলার দৃশ্যমান অগ্রগতি সাধারণ মানুষের সামনে আনা সম্ভব হবে।