পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় প্রকাশ্যে দিবালোকে শতশত মানুষের সামনে সত্তোরোর্ধ বৃদ্ধ হারিচ আহমেদকে চাষের জমির কাঁদায় হাটু সমান পুতে হাত, পা বেঁধে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় জড়িত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে শতশত গ্রামবাসী। শুক্রবার দুপুর ১২ টায় কলাপাড়ার ধুলাসার ইনিয়নের নয়াকাটা গ্রামে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন শতশত স্থানীয় নারী ও পুরুষ।
কলাপাড়ায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অনিয়মের তদন্তে সরকারি কর্মকর্তাকে বাধা দেওয়ার অভিযোগ
মানববন্ধনে নিহতের পরিবার ও স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, গত ১৯ জুলাই বিরোধীয় জমিতে জোরপূর্বক চাষাবাদে বাঁধা দেয়ায় খলিল মিয়া, ছলেমান, রবিউল ইসলাম, মিজানুর, ফেরদৌসের নেতৃত্বে অন্তত ৪০-৫০ জন বৃদ্ধ হারিছ আহমেদ হাত, পারে বেঁধে মারধর করে মাটিতে পুতে রাখে। এসময় তাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা বাড়ির নারী সদস্যদেরও মারধর করে গাছের সাথে বেঁধে রাখে।
প্রায় দুই ঘন্টা পরে স্থানীয় চৌকিদারসহ অন্য এলাকার মানুষ এসে তাদের উদ্ধার করে। এসময় হারিচ আহমেদ কে আশংকাজনক অবস্থায় প্রথমে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করার চেষ্টা করলে সসন্ত্রাসীরা বাধা দিলে, পরবর্তীতে আমতলী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেও তার জ্ঞান না ফেরায় তাকে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে সে মারা যায়।
এবার কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ও এনসিপি নেতা কাফির বিরুদ্ধে জমি দখল ও চাঁদাবাজির মামলা।
এ ঘটনায় নিহতের ছেলে সাইফুল ইসলাম বাবুল খলিল মিয়াকে প্রধান আসামি করে ১৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ২০ জনের নামে ২১ জুলাই মহিপুর থানায় মামলা দায়ের করে। কিন্তু পুলিশ কোন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে পারেনি।
নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসীর দাবি জরুরী ভিত্তিতে এ নৃশংস হত্যাকান্ডে জড়িত সকল আসামি গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির র দাবি জানান।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম বলেন, এ বিষয়ে একটু হত্যা মামলা হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের চেস্টা চলছে।

