ঢাকা ,
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. আইন আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. ইসলাম
  7. কৃষি
  8. খেলাধুলা
  9. জাতীয়
  10. তথ্যপ্রযুক্তি
  11. নেদারল্যান্ডস
  12. পর্যটন
  13. বিনোদন
  14. মতামত
  15. মেক্সিকো
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বগুড়ায় ‘সুখের খামার এগ্রো ভিলেজ’–এর নির্মাণ শুরু

Malaysia
অক্টোবর ১২, ২০২৬ ৩:১৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

অর্থনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশের কৃষি ও পর্যটন খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করে দেশের প্রথম কমিউনিটিভিত্তিক অ্যাগ্রো ট্যুরিজম প্রকল্প ‘সুখের খামার এগ্রো ভিলেজ’-এর নির্মাণকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। সম্প্রতি বগুড়ার কাহালু উপজেলার বাগইল গ্রামের বাঁকাদীঘির পাড় এলাকায় আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি আধুনিক পর্যটনের স্বাদ দিতে এই মেগা প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসন ও কৃষি খাতের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থেকে প্রকল্পটির সফলতা কামনা করেন।

প্রকল্পটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়ার পল্লী উন্নয়ন একাডেমির ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক মো. আবদুল মজিদ প্রামাণিক। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাহালু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. মনিয়া খানম, কাহালু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আবদুল মালেক এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছা. জান্নাতুল ফেরদৌস। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সুখের খামার এগ্রো লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. তাসদীখ হাবীব ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জোবায়ের ইসলামসহ বিভিন্ন স্তরের আমন্ত্রিত অতিথিরা।

অনুষ্ঠানে প্রকল্পের লক্ষ্য ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা তুলে ধরে সুখের খামার এগ্রো লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. তাসদীখ হাবীব জানান, কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করাই দেশের কৃষি খাতের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ এবং অ্যাগ্রো ট্যুরিজম এই সমস্যার কার্যকর সমাধান হতে পারে। এখানে পর্যটকরা কেবল কৃষিপণ্য কিনবেন না, বরং সরাসরি কৃষির সঙ্গে যুক্ত হয়ে অনন্য অভিজ্ঞতা লাভ করবেন। স্মার্ট কৃষির ধারণাকে বাস্তব রূপ দিতেই তাদের এই বিশেষ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক জোবায়ের ইসলাম তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, মাত্র এক বছর আগের দেওয়া প্রতিশ্রুতি আজ বাস্তবে রূপ নিতে শুরু করেছে এবং এই উদ্যোগকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট গ্রামীণ অঞ্চলে ইতোমধ্যে কোটি টাকার নতুন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সৃষ্টি হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে রাজধানী ঢাকার ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় আয়োজিত ত্রয়োদশ এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ারে এই প্রকল্পের নকশা উন্মোচন করা হয়েছিল, যেখানে প্রায় দেড় শতাধিক অংশীদার আনুষ্ঠানিকভাবে জমির দলিল বুঝে পেয়েছিলেন।