ঢাকা ,
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. আইন আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. ইসলাম
  7. কৃষি
  8. খেলাধুলা
  9. জাতীয়
  10. তথ্যপ্রযুক্তি
  11. নেদারল্যান্ডস
  12. পর্যটন
  13. বিনোদন
  14. মতামত
  15. মেক্সিকো
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সিসিটিভি বন্ধ করে গির্জার ৭০ কেজি ওজনের ঘণ্টা চুরি, ডাস্টবিনে উদ্ধার

Malaysia
অক্টোবর ২, ২০২৬ ৭:১৭ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে অবস্থিত একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গির্জার প্রাঙ্গণ থেকে প্রায় ৭০ কেজি ওজনের একটি পিতলের ঘণ্টা চুরির ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি রাতের কোনো একসময়ে মোহাম্মদপুর এলাকার সেইন্ট পল স্কুল অ্যান্ড চার্চের দোতলার উন্মুক্ত স্থান থেকে এই বহুমূল্যবান ঘণ্টাটি চুরি হয়ে যায়। ঘটনার দিন মধ্যরাতের পর থেকেই গির্জার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরার রেকর্ডিং রহস্যজনকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। বিশাল আকৃতির এই পিতলের ঘণ্টাটি খোয়া যাওয়ার পর পরই গির্জা কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়।

খবর পেয়ে ভোরেই ঘটনাস্থলে ছুটে যায় মোহাম্মদপুর থানা-পুলিশের একটি দল এবং পরিস্থিতি সরেজমিন পরিদর্শন করে। পুলিশ কর্মকর্তারা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকা পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ শুরু করেন। এরপর অপরাধীদের শনাক্ত করতে এবং চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধারে মাঠে নামে পুলিশের একাধিক বিশেষ টিম। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এই তৎপরতা ও ব্যাপক অভিযানের মুখে শেষ পর্যন্ত চোরচক্রটি কোণঠাসা হয়ে পড়ে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তের সূত্রে জানা যায়, অভিযানের একপর্যায়ে মোহাম্মদপুরের জাকির হোসেন রোডের একটি ময়লার ডাস্টবিনের পাশ থেকে ঘণ্টাটি উদ্ধার করা হয়। সাদা পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় অক্ষত পাওয়া যাওয়া ওই পিতলের ঘণ্টাটি বর্তমানে মোহাম্মদপুর থানা হেফাজতে নিরাপদে রয়েছে। চোরেরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বা আটকের ভয়ে ঘণ্টাটি সেখানে ফেলে রেখে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে বলে মনে করছে পুলিশ। এই ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে এবং উদ্ধারকৃত আলামত মামলার গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হবে।

এদিকে চুরির ঘটনার ঠিক আগমুহূর্তে সিসিটিভি ক্যামেরার রেকর্ডিং কেন বন্ধ করা হয়েছিল, তা নিয়ে গভীর তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। নির্দিষ্ট ওই সময়ে ক্যামেরা কার নির্দেশে বা কীভাবে বন্ধ হলো, তার নেপথ্যের কারণ উদঘাটনে কাজ করছে তদন্তকারীরা। পাশাপাশি অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে এলাকার অন্যান্য সিসিটিভি ফুটেজ ও বিভিন্ন গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।