ঢাকা ,
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. আইন আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. ইসলাম
  7. কৃষি
  8. খেলাধুলা
  9. জাতীয়
  10. তথ্যপ্রযুক্তি
  11. নেদারল্যান্ডস
  12. পর্যটন
  13. বিনোদন
  14. মতামত
  15. মেক্সিকো
আজকের সর্বশেষ সবখবর

প্রবাসী প্রতিবেশীর সঙ্গে স্ত্রীর বিয়ে দিলেন নিজেই, পরে মিলল ঝুলন্ত মরদেহ

Malaysia
সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬ ১১:০৩ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

যশোরের মনিরামপুর উপজেলার কাশিমনগর ইউনিয়নের মান্দারতলা গ্রাম থেকে আব্দুল্লাহ মিথুন নামের এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয় একটি বাড়ি থেকে ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধারের পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের দাবি, প্রবাসীর সঙ্গে স্ত্রীর পরকীয়া সম্পর্কের জেরে সৃষ্ট মানসিক চাপ ও পারিবারিক কলহের কারণে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে।

নিহতের স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর আগে পারিবারিকভাবে সাথী খাতুনের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন নির্মাণশ্রমিক আব্দুল্লাহ। তাঁদের সংসারে ছয় ও চার বছর বয়সী দুটি কন্যাসন্তান রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে আব্দুল্লাহর প্রতিবেশী ও শৈশবের বন্ধু সুমন বিদেশে অবস্থান করছিলেন। বিদেশে থাকা অবস্থায় সুমনের সঙ্গে মোবাইলে আব্দুল্লাহর স্ত্রীর পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি জানার পর আব্দুল্লাহ স্ত্রীকে বোঝানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন এবং একপর্যায়ে বাধ্য হয়ে নিজেই মোবাইল ফোনে তাঁদের বিয়ে দেন।

নিহতের মা রওশনারা বেগম অভিযোগ করেন, পুত্রবধূ সাথী নানাভাবে তাঁর ছেলেকে মানসিকভাবে চাপ দিত এবং ব্ল্যাকমেল করত। ঘটনার রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে আব্দুল্লাহর মৃত্যু হয়। পরিবারের দাবি, সাথী ও তাঁর পরকীয়া প্রেমিক পরিকল্পিতভাবে আব্দুল্লাহকে শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যার নাটক সাজিয়েছে। ঘটনার পরদিন প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে স্ত্রী সাথী ঘরের দরজা আটকে ভেতরে অবস্থান করেন।

এদিকে অভিযুক্ত স্ত্রী সাথী দাবি করেছেন, তাঁর স্বামী আব্দুল্লাহ নিজেই জোর করে তাঁকে মালয়েশিয়াপ্রবাসী সুমনের সঙ্গে বিয়ে দিয়েছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, গত সেপ্টেম্বর মাসে আব্দুল্লাহর কথামতোই তিনি কাজী অফিসে গিয়ে সুমনকে বিয়ে করেন এবং ওই বিবাহ চুক্তিতে আব্দুল্লাহ নিজেই সাক্ষী হিসেবে স্বাক্ষর করেছিলেন। অপরদিকে, প্রবাসীর পরিবার এই বিয়ের বিষয়ে কোনো কিছু জানেন না বলে দাবি করেছে। মনিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাঈদ জানিয়েছেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।