ঢাকা ,
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. আইন আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. ইসলাম
  7. কৃষি
  8. খেলাধুলা
  9. জাতীয়
  10. তথ্যপ্রযুক্তি
  11. নেদারল্যান্ডস
  12. পর্যটন
  13. বিনোদন
  14. মতামত
  15. মেক্সিকো
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পদ্মা সেতু হয়ে মৈত্রী এক্সপ্রেস চলাচলে আলোচনা

Bangladesh
সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ ৬:৩১ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

সম্প্রতি ঢাকা ও কলকাতার মধ্যে চলাচলকারী আন্তঃদেশীয় ট্রেন মৈত্রী এক্সপ্রেসের রুট পরিবর্তনের বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রস্তাবিত এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, ভবিষ্যতে এই ট্রেনটি ঐতিহ্যবাহী হার্ডিঞ্জ ব্রিজ বা অন্য কোনো পুরনো রুট এড়িয়ে সরাসরি পদ্মা সেতু দিয়ে চলাচল করতে পারে। ভারতের পক্ষ থেকে রেল যোগাযোগ আরও উন্নত এবং সময় সাশ্রয়ী করার লক্ষ্যে এই নতুন রুট চালুর বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে উত্থাপন করা হয়েছে। দুই দেশের রেলওয়ে খাতের নীতিনির্ধারকদের মধ্যে এই সম্ভাব্যতা নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

তবে এই রুট পরিবর্তন বা নতুন সম্ভাবনার আলোচনা উঠলেও, বর্তমানে বন্ধ থাকা আন্তর্জাতিক ট্রেনগুলো পুনরায় চালুর বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে করোনা মহামারী ও পরবর্তীতে বিভিন্ন কারণে মৈত্রী এক্সপ্রেস ছাড়াও বন্ধন এবং মিতালী এক্সপ্রেস ট্রেনের নিয়মিত চলাচল স্থগিত রয়েছে। দুই দেশের সাধারণ যাত্রীদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে ট্রেনগুলো দ্রুত চালুর জোরালো দাবি থাকলেও, ঠিক কোন সময়ে এই রেল পরিষেবাগুলো আবার চালু করা সম্ভব হবে তা নিয়ে উভয় পক্ষের বৈঠকে চূড়ান্ত কোনো ঐকমত্য হয়নি।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার পারস্পরিক সুসম্পর্ক এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের অংশ হিসেবে আন্তঃদেশীয় ট্রেন চলাচল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বিশেষ করে পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর থেকেই এই মেগা অবকাঠামোর ওপর দিয়ে ট্রেন চলাচলের বিষয়ে নানা ধরনের পরিকল্পনা ও পর্যালোচনা চলছে। মৈত্রী এক্সপ্রেসের মতো আন্তর্জাতিক ট্রেন পদ্মা সেতু দিয়ে চলাচল করলে ভ্রমণ সময় উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে এবং যাত্রী সাধারণের যাতায়াত আরও অনেক বেশি আরামদায়ক ও আধুনিক হয়ে উঠবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

বর্তমানে বন্ধ থাকা ট্রেনগুলোর চলাচল পুনরায় শুরু করার ক্ষেত্রে উভয় দেশের রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ কিছু অপারেশনাল ও প্রশাসনিক বিষয় নিয়ে পর্যালোচনা করছে। দুই দেশের কাস্টমস ও ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া আরও সহজতর করার পাশাপাশি সিগন্যালিং ও ট্র্যাক সুরক্ষার বিষয়টিও এই আলোচনার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের ধারণা, পারস্পরিক আলোচনা ও প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ার পর খুব শীঘ্রই ট্রেনগুলো চালুর বিষয়ে একটি আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে।