ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলায় আট বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার দায়ে জামাল মোল্লা (৬৫) নামে এক ব্যক্তিকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকেলে ফরিদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিজ্ঞ বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। পরে তাতে পুলিশ পাহারায় জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
দন্ডপ্রাপ্ত জামাল মোল্লা (৬৫) মধুখালী উপজেলার জাহাপুর ইউনিয়নের মাঝকান্দি পশ্চিমপাড়া এলাকার মৃত মোমিন মোল্লার ছেলে।
মামলার এজাহারসূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ৩ মে বিকেল চারটার দিকে শিশুটি প্রতিবেশি দর্জি বাড়িতে নতুন জামা-কাপড় আনতে যায়।দর্জি বাড়িতে না থাকায় শিশুটি সেখানে আসামির নাতনিসহ শিশুদের সঙ্গে খেলা করছিল।
জামাল মোল্লা কৌশলে শিশুটিকে বসতঘরের ভেতরে নিয়ে মুখ চেপে ধরে ধর্ষণের চেষ্টা করেন।
শিশুটি নিজেকে রক্ষা করতে দৌড়ে পালানোর চেষ্টার করলে আসামির বাড়ির সিঁড়ির ওপর পড়ে যায়।
এ সময় ওই শিশুর চিৎকারে পাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে।
এর মধ্যে জামাল মোল্লা ঘর থেকে পালিয়ে যায়। পরে থানায় অভিযোগ করা হয়।
ওই আদালতের সরকারি কৌঁসুলি গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া রতন বলেন,মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে আসামি জামাল মোল্লাকে দোষী সাব্যস্ত করে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন আদালত। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে তাকে আরো তিন বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
আদালতের পিপি আরও বলেন, আদালতের এ রায়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমরা খুশি হয়েছি

