ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং ধূমপান ও তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর লক্ষ্যে সাতক্ষীরার আশাশুনিতে অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়েছে।
রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুর ১২টায় আশাশুনি উপজেলা সমাজসেবা অফিস ও বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদের ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের আর্থিক অনুদানের সহযোগিতায় এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান মৌমাছি-এর আয়োজনে এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো: রফিকুল ইসলাম।
উদ্বোধনকালে উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো: রফিকুল ইসলাম বলেন, “ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করতে প্রযুক্তিনির্ভর ও অংশগ্রহণমূলক কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।” তিনি আরও বলেন, তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সম্পর্কে মানুষের জ্ঞান ও সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি আইন বাস্তবায়নে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা জরুরি। তরুণদের তামাকবিরোধী বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
আয়োজকরা জানান, অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতায় ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব, তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন, জনস্বাস্থ্য এবং তামাকবিরোধী বিভিন্ন সচেতনতামূলক বিষয়ে প্রশ্ন রাখা হয়েছে। আনন্দ ও অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রতিযোগীরা তামাক নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পাবেন বলে জানান আয়োজকরা।
মৌমাছির পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং তামাকমুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষ্যে তরুণ প্রজন্মসহ সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। অনলাইন কুইজের মাধ্যমে তামাকের ক্ষতিকর দিক ও তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সম্পর্কে ইতিবাচক সচেতনতা তৈরি এবং তামাকমুক্ত সমাজ গঠনে সামাজিক আন্দোলন আরও জোরদার হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট থেকে প্রকাশিত তামাকবিরোধী পত্রিকা ‘সমস্বর’ উপজেলা সমাজসেবা অফিসারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মৌমাছির সাধারণ সদস্য মো. আরিফুল ইসলাম, রেহানা খাতুন, বাঁকড়া ইউনাইটেড ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো: তাহমিদ হাসান, সভাপতি মো: গোলাম হোসেন, কোষাধ্যক্ষ এসএম মোহিব্বুল্লাহ এবং নওয়াপাড়া আইপিএম ক্লাবের প্রতিনিধিসহ স্থানীয় সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

