লামিয়া শহরের দারুন নাজাত প্রি-ক্যাডেট নূরানী একাডেমির পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। সেফা মনি ছিল কালিকাপুর সালেহিয়া দাখিল মাদরাসার ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
সদর থানার ওসি মনিরুজ্জামান ঘটনাটিকে মর্মান্তিক ও দুঃখজনক উল্লেখ করে জানান, এ ঘটনায় দুই পরিবারের কারও কোনো অভিযোগ নেই।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে সবার অজান্তে বাড়ির পাশের পুকুরপাড়ে খেলতে যায় তারা। দীর্ঘ সময় তাদের দেখা না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে পুকুরপাড়ে তাদের জুতা পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে স্থানীয়রা আশপাশে খোঁজ চালাতে থাকেন।
প্রায় আধাঘণ্টা পর পুকুরঘাটের এক কোণায় সেফা মনির ওড়না ভাসতে দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। পরে তারা পুকুরে নেমে খোঁজ শুরু করেন। প্রথমে সেফা মনির নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। ১০ মিনিট পর একই পুকুর থেকে লামিয়ার মরদেহও উদ্ধার করা হয়।
বাড়ির বাসিন্দা ও বন্ধুজন সমবায় সমিতির সভাপতি রিপন মিয়া জানান, পটুয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক দুই শিশুকেই মৃত ঘোষণা করেন।
চিকিৎসক তাদের জানিয়েছেন, হাসপাতালে আনার আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছিল, জানান তিনি।
রিপন মিয়ার ধারণা, পুকুরটি গভীর হওয়ায় এবং দুজনের কেউ সাঁতার না জানায় পানিতে পড়ে ডুবে তাদের মৃত্যু হয়েছে।
