ঢাকা ,
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. আইন আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. ইসলাম
  7. কৃষি
  8. খেলাধুলা
  9. জাতীয়
  10. তথ্যপ্রযুক্তি
  11. নেদারল্যান্ডস
  12. পর্যটন
  13. বিনোদন
  14. মতামত
  15. মেক্সিকো
আজকের সর্বশেষ সবখবর

চাঁদপুরে জেলেদের চাল চুরির ঘটনায় ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা বরখাস্ত

Malaysia
অক্টোবর ১২, ২০২৬ ১১:৩২ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

জাতীয় ডেস্ক: চাঁদপুর সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নের জেলেদের জন্য বরাদ্দকৃত বিশাল পরিমাণ চাল চুরির ঘটনায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে নিবন্ধিত জেলেদের সহায়তার জন্য এই খাদ্য সহায়তা বরাদ্দ করা হলেও তা নিয়মবহির্ভূতভাবে আত্মসাতের চেষ্টা করা হয়। এই চাঞ্চল্যকর দুর্নীতির সাথে সরাসরি সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হওয়ায় ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা শামীমের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় মামলার প্রক্রিয়াও শুরু করেছে জেলা প্রশাসন।

জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান গণমাধ্যমের কাছে এই বরখাস্তের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত রোববার সুনির্দিষ্ট গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চাঁদপুর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি প্রত্যয় হাশেমের নেতৃত্বে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। এই ঝটিকা অভিযানে সেন্ট্রাল স্টোরেজ ডিপো বা সিএসডি গুদাম এলাকা থেকে প্রায় পাঁচ টন চাল বোঝাই একটি মিনিট্রাক জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে জব্দকৃত এই বিপুল পরিমাণ খাদ্যপণ্য পুনরায় সিএসডি গুদামের নিরাপদ হেফাজতে সংরক্ষণ করা হয়।

অভিযানের পরপরই তৎপর হয়ে ওঠে প্রশাসন এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে রাতেই আটক করা হয়। পুরো ঘটনার অনুসন্ধানে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে যারা বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত খতিয়ে দেখছেন। তবে আটক গোলাম মোস্তফা শামীম শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ায় বর্তমানে তাঁকে হাসপাতালের নিবিড় তত্ত্বাবধানে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আইনগত প্রক্রিয়া অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার কার্যক্রম এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

ঘটনার নেপথ্যে থাকা অন্যান্য তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে, মিনিট্রাকে করে এই চালগুলো কুমিল্লার লাকসাম এলাকার দিকে পাচার করা হচ্ছিল। চাল বহনকারী পিকআপচালক শাহাদাত জানিয়েছেন যে তিনি ভাড়ায় চালগুলো নিয়ে গন্তব্যে রওয়ানা হয়েছিলেন এবং পথিমধ্যে হাজীগঞ্জ এলাকা থেকে তাঁকে পুনরায় চালগুলো ফিরিয়ে আনার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়। উদ্ধারকৃত চালের পরিমাণের টোকেনে সুনির্দিষ্টভাবে ৪৯৩০ কেজি উল্লেখ থাকলেও সেখানে কোনো প্রকৃত মালিকের নাম লেখা ছিল না। প্রসঙ্গত, ইলিশ প্রজনন মৌসুমে নির্ধারিত সময়ের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে এই চাল বরাদ্দ দেওয়া হলেও তা যথাসময়ে প্রকৃত জেলেদের মাঝে বিতরণ করা হয়নি।