শিক্ষা ডেস্ক: শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার উপযুক্ত করে গড়ে তোলার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। প্রচলিত গতানুগতিক পরীক্ষা ও সনদসর্বস্ব শিক্ষাব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার সময় এসেছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। এই লক্ষ্য অর্জনে আউটকাম বেজড এডুকেশন বা ওবিই কারিকুলামের সঠিক ও কার্যকর বাস্তবায়নের বিকল্প নেই। সম্প্রতি বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের গাজীপুর ক্যাম্পাসে আয়োজিত এক বিশেষ কর্মশালায় বক্তারা এই অভিমত ব্যক্ত করেন।
বাউবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ওই কর্মশালায় প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, ওবিই কারিকুলাম সফলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হলে দেশের শিক্ষার গুণগত মানে দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে। তবে এই আধুনিক পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য শিক্ষকদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ প্রদান এবং এ ধরনের কর্মশালার নিয়মিত আয়োজন করা অত্যন্ত জরুরি বলে তিনি মন্তব্য করেন।
দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় আমন্ত্রিত বিশেষ অতিথিরা ওবিই পদ্ধতির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম সরকার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। কলা অনুষদের ডিন তাঁর বক্তব্যে জানান যে, পাঠদান ও মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার বর্তমান সীমাবদ্ধতা দূর করতে এবং অভিজ্ঞ শিক্ষকদের মেধা কাজে লাগিয়ে এই কারিকুলামকে সফল করা সম্ভব।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আশফাক হোসেনের সভাপতিত্বে কর্মশালাটি পরিচালিত হয়। বিভাগের শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট গবেষকদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে রিসোর্স পারসন হিসেবে ওবিই কারিকুলামের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া ও মূল্যায়ন কৌশল নিয়ে বিস্তারিত সেশন পরিচালনা করেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবুল কাওসার। আয়োজকদের মতে, এ ধরনের কর্মশালা শিক্ষার মান বৃদ্ধিতে এবং শিক্ষকদের দক্ষতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
