ঢাকা ,
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. আইন আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. ইসলাম
  7. কৃষি
  8. খেলাধুলা
  9. জাতীয়
  10. তথ্যপ্রযুক্তি
  11. নেদারল্যান্ডস
  12. পর্যটন
  13. বিনোদন
  14. মতামত
  15. মেক্সিকো
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নতুন হুমকি, ব্রিটিশ ঘাঁটিতে মোতায়েন সব দূরপাল্লার বোমারু বিমান সরিয়ে নিল যুক্তরাষ্ট্র

Malaysia
অক্টোবর ৫, ২০২৬ ৩:০০ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

যুক্তরাজ্যের ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটিতে নতুন করে নিরাপত্তা হুমকি সৃষ্টির পর সেখানে মোতায়েন থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সকল দূরপাল্লার বোমারু বিমান প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। মার্কিন সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে বিমানগুলোকে নিরাপদে নিজেদের ভূখণ্ডে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। মূলত সাম্প্রতিক একটি হামলার ষড়যন্ত্রের পর এই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। তবে কী ধরনের সুনির্দিষ্ট হুমকির কারণে এই আকস্মিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো, সে বিষয়ে মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

এর কিছুদিন আগে যুক্তরাজ্যের কাউন্টার টেররিজম পুলিশ দেশটির ওই সামরিক ঘাঁটিতে হামলার একটি কথিত পরিকল্পনা ভেস্তে দেয় এবং এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পাঁচজন ব্রিটিশ নাগরিককে গ্রেপ্তার করে। লন্ডনের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা ২৩ থেকে ২৫ বছর বয়সী ওই সন্দেহভাজন তরুণদের আটকের পর সংক্ষিপ্ত জিজ্ঞাসাবাদ শেষে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তল্লাশি চালিয়ে ঘটনাস্থলের কাছাকাছি থাকা তিনটি ভ্যান থেকে কোনো ধরনের বিস্ফোরকদ্রব্য উদ্ধার করতে পারেনি। তবুও এই ঘটনাকে একটি বাস্তব হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে মার্কিন সামরিক কর্তৃপক্ষ নিজেদের কৌশলগত বিমানগুলো সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

যুক্তরাজ্যের রয়্যাল এয়ার ফোর্সের ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিটি দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন গ্লোবাল স্ট্রাইক কমান্ডের কার্যক্রম এবং দূরপাল্লার বি-১ বোমারু বিমান মোতায়েনের কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। আঞ্চলিক কোনো ঘাঁটিতে বিমানগুলো স্থানান্তর না করে সরাসরি মূল মার্কিন ভূখণ্ডে ফিরিয়ে নেওয়ার ঘটনাকে সামরিক বিশ্লেষকরা কিছুটা অস্বাভাবিক হিসেবে দেখছেন। বিমানঘাঁটিতে সম্ভাব্য হামলার এই পরিকল্পনার পেছনে ইরানের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে বলে ব্রিটিশ ও মার্কিন কর্মকর্তাদের তরফ থেকে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্য কেন্দ্রিক ভূরাজনীতি এবং বিভিন্ন দেশের সামরিক অবস্থানের প্রেক্ষাপটে এই নিরাপত্তা ইস্যুটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

এদিকে যুক্তরাজ্যের বিমানঘাঁটিতে হামলার ষড়যন্ত্রের সঙ্গে তেহরানের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে পশ্চিমা দেশগুলোর আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে ইরান। দেশটির পক্ষ থেকে এই দাবিগুলোকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অভিহিত করা হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে তেহরানের পক্ষ থেকে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতকে তলব করা হয় এবং ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী মাজিদ তাখত-রাভানচি লন্ডনের এমন অবস্থানের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যের এই তথাকথিত অনুচিত দৃষ্টিভঙ্গি অবিলম্বে পুনর্বিবেচনা করার আহ্বান জানান। বর্তমানে গোটা বিষয়টি নিয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং এর কূটনৈতিক ও নিরাপত্তাভিত্তিক প্রভাব নিয়ে নানা মহলে আলোচনা চলছে।