ফরিদপুরে প্রায় দশ বছরের দোকান ঘরের ভাড়ার পাওনা
টাকা চাওয়ায় উল্টা মালিক পক্ষের বিরুদ্ধে ৫ লক্ষ টাকার চাদাবাজির মামলা করে দিয়েছে ভাড়াটি শফিকুর রহমানের স্ত্রী শিউলী রহমান যার ( C R ) ৩০ /২৬ তারিখ ২০/০৫/০২৬,মামলার এজাহার ও ঘর মালিক সূত্রে জানাযায় ফরিদপুরের (দ্রুত বিচার ) আদালতে এ মামল টি রুজু করা হয় ৯জন নামীয় ও ২০/২৫ জনকে অজ্ঞাতনামাদের আসামি করা হয়। সকল আসামীরা হলো সরকারি ও বেসরকারি গাড়ির চালক।
এই মামলার ৩নং আসামী মাসুদ আহমেদ লিটন জানান তাদের একটি সমিতি আছে,ঐ সমিতির সদস্যরা হলো ফরিদপুরের সরকারি ও বে সরকারি অফিসের গাড়ির চালকদের নিয়ে গঠিত। এদের এ সংগঠনের নাম ফরিদপুর সরকারি আধাসরকারী মটর চালক সমবায় সমিতি লিঃ এবং বৈধ নিবন্ধন করা,সমিতির রেজিঃ নং 2৫৩,তারিখ ১৪/0৯/১৯৭৯ইং তিনি আরো জানান এই
সংগঠনের বতর্মান সভাপতি মাসুদ আহমেদ লিটন। শফিকুর রহমানের নিকট
বকেয়া ভাড়া পাওনা (দুই লক্ষ এগার হাজার টাকা ) পাওনা টাকা উদ্ধারের জন্য
সমিতির সদস্যরা আফজাল হোসেন খান পলাশ, মাননীয় প্রশাসক জিলা
পরিষদ ফরিদপুর নিকট যায়। মাননীয় প্রশাসক,জিলা পরিষদ এর প্রধান সহকারী দীপন কুমার ঘোষ কে বিষয়টি সমাধান করে দেয়ার জন্য মৌখিক ভাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এবং দুই পক্ষের লোকজন নিয়ে সমাধান করা হয়,সমাধানে বলা হয় শফিকুর রহমান দুই ভাগে টাকা পরিশোধ করবে,প্রথমে এক লক্ষ টাকা এবং দ্বীয়ভার দিবে বাকি অবশিষ্ট টাকা। কিন্তু টাকা পরিশোধের আগেই তারা চাদাবাজির মামলা করে দেয়। মাননীয় আদালত পুলিশ প্রশাসনের( পিবিআই) কে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেন।ফরিদপুর পিবিআই স্মারক নং ৩২৩৭ তারিখ ২১/0৭/০২৬ এ নিবিড় ভাবে তদন্ত করে প্রতিবেদনে উল্লেখ করে যে বিবাদীদের বিরুদ্ধে আইন শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ
( দ্রুত বিচার) আইন ২০০২ এর ৪/৫ ধারা
তৎসহ পেনাল কোডের ১৪৩/৪৪৭/৪৪৮/৩২৩/৩৮০/৩৪ ধারা অপরাধের সত্যতা পাওয়া যায়নি।
সমিতির সভাপতি মাসুদ আহমেদ লিটন জানান আমাদের সমিতি কয়েকটি দোকান
ঘর আছে সেখান থেকে একটি দোকান ঘর
ভাড়া নিয়ে শফিকুর রহমান,সমতা মেটাল নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নামে ব্যবসা করে আসছিল।

