গত কয়েক দিনের টানা বর্ষণে ফরিদপুর ও এর আশপাশের অঞ্চলগুলো থেকে সবজিবাহী ট্রাক আসার পরিমাণ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। ফলে সরবরাহ সংকটে পড়ে স্থানীয় বাজারগুলোতে শাকসবজিসহ বিভিন্ন নিত্যপণ্যের দাম কিছুটা বেড়েছে।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গোল বেগুন কেজিপ্রতি ১০০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা এবং পটল ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে ভালো মানের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৫০ টাকায়। একই সাথে প্রতি কেজি আলু কিনতে ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে ৩০ টাকা। তবে আমদানির ইতিবাচক খবরের প্রভাবে বাজারে কাঁচা মরিচের দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে; কেজিপ্রতি দাম কমে বর্তমানে ২০০ টাকায় নেমে এসেছে।
নিত্যপণ্যের বাজারের এই ঊর্ধ্বগতিতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষ। একাধিক ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, কোনো কারণ ছাড়াই নিত্যপণ্যের বাজারদর এভাবে বাড়তে থাকলে সাধারণ পরিবারের দৈনন্দিন খরচ চালানো অসম্ভব হয়ে পড়বে।
পণ্যমূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, টানা বৃষ্টির কারণে মাঠ থেকে ফসল তোলা এবং পরিবহন ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে। ফলে ফরিদপুরের প্রধান পাইকারি বাজারগুলোতে পর্যাপ্ত সরবরাহ আসছে না। সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বাজারদর কমার সম্ভাবনা কম বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তারা।
এদিকে অসাদুপায় অবলম্বনকারীদের দৌরাত্ম্য বন্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন সাধারণ ভোক্তারা। তাদের মতে, অসাধু ব্যবসায়ীরা যেন সিন্ডিকেট করে বাজারে কোনো ধরনের কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে না পারে, সেজন্য স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত বাজার মনিটরিং ও কঠোর নজরদারি জোরদার করা প্রয়োজন।

