ঢাকা ,
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. আইন আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. ইসলাম
  7. কৃষি
  8. খেলাধুলা
  9. জাতীয়
  10. তথ্যপ্রযুক্তি
  11. নেদারল্যান্ডস
  12. পর্যটন
  13. বিনোদন
  14. মতামত
  15. মেক্সিকো
আজকের সর্বশেষ সবখবর

২৪ ঘণ্টার বেশি আটক রাখা ‌‌গুম‌ হিসেবে গণ্য হবে: চিফ প্রসিকিউটর

Bangladesh
সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬ ১০:০৩ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে কোনো ব্যক্তি আটক হওয়ার পর ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে তার অবস্থান গোপন রাখা কিংবা আইনের সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত করার মতো ঘটনাগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘গুম’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম তার নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই সুনির্দিষ্ট বিধানের কথা জানান। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, নতুন পাস হওয়া গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনে এসব কর্মকাণ্ডকে অত্যন্ত গুরুতর ফৌজদারি অপরাধের মর্যাদা দেওয়া হয়েছে।

জাতীয় সংসদে সদ্য অনুমোদিত গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়ে চিফ প্রসিকিউটর জানান, আইনের সংজ্ঞানুযায়ী কাউকে গ্রেফতারের পর তথ্য গোপন করা বা অজ্ঞাত স্থানে আটকে রাখা দণ্ডনীয় অপরাধ। তবে এই ধরনের প্রতিটি অপরাধকেই সরাসরি মানবতাবিরোধী অপরাধ বলা যাবে না। যদি এ ধরনের অপরাধ ব্যাপক হারে বা নির্দিষ্ট কোনো নিয়মতান্ত্রিক পন্থায় পুনরাবৃত্তি ঘটে, তবেই কেবল তা মানবতাবিরোধী অপরাধের আওতাভুক্ত হবে এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এর বিচারকার্য পরিচালিত হবে।

নতুন এই আইন প্রণয়নকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, এর ফলে দীর্ঘকাল ধরে ন্যায়বিচার বঞ্চিত গুম হওয়া মানুষগুলোর পরিবারগুলো নতুন করে আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ পাবে। এই আইন চালুর ফলে বিচার প্রক্রিয়ার পরিধি আরও প্রসারিত হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তাছাড়া, নবপ্রণীত এই আইনের সঙ্গে দেশের প্রচলিত অন্যান্য আইন কিংবা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের কোনো ধরনের সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি সৃষ্টির অবকাশ নেই বলেও তিনি নিশ্চিত করেন।

চিফ প্রসিকিউটর আরও যোগ করেন যে, গুম সংক্রান্ত নতুন আইনটি অত্যন্ত নিখুঁত ও স্পষ্ট ভাষায় তৈরি করা হয়েছে যাতে এর প্রয়োগ নিয়ে কোনো রকম ধোঁয়াশা তৈরি না হয়। সংশ্লিষ্ট আইনটির সঠিক বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো তাদের কাঙ্ক্ষিত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সক্ষম হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এর মাধ্যমে দেশে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও বলপূর্বক গুমের মতো জঘন্য অপরাধের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী আইনি প্রতিরোধ গড়ে উঠবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল ধারণা করছে।