ঢাকা ,
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. আইন আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. ইসলাম
  7. কৃষি
  8. খেলাধুলা
  9. জাতীয়
  10. তথ্যপ্রযুক্তি
  11. নেদারল্যান্ডস
  12. পর্যটন
  13. বিনোদন
  14. মতামত
  15. মেক্সিকো
আজকের সর্বশেষ সবখবর

এক দিনের জন্য ঢাবি উপাচার্য হলেন এইচএসসি শিক্ষার্থী শীতল

Malaysia
অক্টোবর ১১, ২০২৬ ১০:৪৬ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

জাতীয় ডেস্ক: আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের প্রতীকী দায়িত্ব পালন করেছেন এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী শীতল। প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের উদ্যোগে পরিচালিত ‘গার্লস টেক ওভার’ কর্মসূচির আওতায় এই ব্যতিক্রমী আয়োজন করা হয়। কন্যাশিশুদের শিক্ষা নিশ্চিত করা, বাল্যবিবাহের মতো সামাজিক ব্যাধি প্রতিরোধ এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তাদের নেতৃত্বের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই প্রতীকী দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে কিশোরীদের সক্ষমতা ও তাদের সুপ্ত প্রতিভাকে সমাজের সামনে তুলে ধরা হয়।

প্রতীকী উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করা শিক্ষার্থী শীতল দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন যুব ও কমিউনিটিভিত্তিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে নারীর অধিকার নিয়ে কাজ করছেন। তিনি মেয়েদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিচ্ছন্নতা এবং ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে নিয়মিত ভূমিকা রেখে চলেছেন। পাশাপাশি, আর্থিক সংকট, সামাজিক প্রতিবন্ধকতা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে মেয়েদের শিক্ষা ও অগ্রগতির পথ কীভাবে সংকুচিত হয়, সে বিষয়েও তিনি জনসচেতনতা বাড়াতে কাজ করছেন। সমাজ পরিবর্তনের এই সাহসী উদ্যোগে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ তরুণ প্রজন্মকে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম শীতলের এই প্রতীকী দায়িত্ব গ্রহণকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন যে, প্রতিটি কন্যার স্বপ্ন বাস্তবায়নে শিক্ষার সুযোগ উন্মুক্ত রাখতে হবে। মেয়েদের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনতে হবে এবং তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও নেতৃত্বের আসনে বসার সুযোগ করে দিতে হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, কন্যাশিশুর শিক্ষা ও তাদের অধিকার সুরক্ষায় বিনিয়োগ করাটা একটি সুন্দর ও সমতাপূর্ণ ভবিষ্যৎ নির্মাণের প্রধান শর্ত। উপাচার্যের এই ইতিবাচক মনোভাব নারী জাগরণ ও শিক্ষার প্রসারে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সারাদিনের এই কার্যক্রমে শীতল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আলোচনা সভায় অংশ নেন এবং বাল্যবিবাহের ক্ষতিকর দিকগুলো জোরালোভাবে তুলে ধরেন। তিনি সমাজে তরুণীদের নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা এবং একটি নিরাপদ ও সমতাভিত্তিক পরিবেশ গড়ে তোলার ওপর বিশেষ জোর দেন। প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের এই ধরনের উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হলো মেয়েরা যেন নিজেদের মতামত সাহসিকতার সঙ্গে প্রকাশ করতে পারে এবং জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলোতে নিজেদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পারে। সমাজের সব বাধা পেরিয়ে কিশোরীরা যাতে নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেরাই গড়ে তুলতে পারে, সেদিকেই মূলত এই কার্যক্রমের মাধ্যমে নজর দেওয়া হচ্ছে।