ঢাকা ,
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. আইন আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. ইসলাম
  7. কৃষি
  8. খেলাধুলা
  9. জাতীয়
  10. তথ্যপ্রযুক্তি
  11. নেদারল্যান্ডস
  12. পর্যটন
  13. বিনোদন
  14. মতামত
  15. মেক্সিকো
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সৌরবিদ্যুতে আয় বাড়াই, ছাদকে কাজে লাগাই শীর্ষক আমতলীতে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত

এস এম নাসির মাহামুদ আমতলী বরগুনা
সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ ২:৪৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

 

“সৌরবিদ্যুতে আয় বাড়াই, প্রতি ইঞ্চি ছাদকে কাজে লাগাই” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বরগুনার আমতলী পল্লী বিদুৎ জোনাল অফিসে অবহিতকরণ সভা করেছে।

রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিকেল ৪টায় আমতলী জোনাল অফিসের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন আমতলী জোনাল অফিসের উপ-মহাব্যবস্থাপক মো: সিফাতুল্লাহ।সঞ্চালনায় ছিলেন পল্লী বিদুৎ আমতলী জোনাল অফিসের সরকারী মহাব্যবস্থাপক কাওসার আহমেদ।

এ সময় সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমতলীতে কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ, স্থানীয় ইলেকট্রিশিয়ান, ইলেকট্রনিক ব্যবসায়ী এবং পল্লী বিদ্যুতের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী।

সভার শুরুতে আমতলী পল্লী বিদুৎ জোনাল অফিসের সরকারি মহাব্যবস্থাপক কাওসার আহমেদ বলেন, সরকারের নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতির ওপর বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি বলেন, দেশব্যাপী জ্বালানি সংকট মোকাবিলা ও পরিবেশবান্ধব সবুজ শক্তির ব্যবহার বাড়াতে সরকার নেট মিটারিং পদ্ধতিতে রুফটপ সোলারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

সভায় উপ-মহাব্যবস্থাক আমতলী জোনাল অফিসের মো. সিফাতুল্লাহ তার বক্তব্যে বলেন, আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকরা তাদের নিজস্ব পাকা ছাদ বা শেডের খালি জায়গায় সোলার প্যানেল স্থাপন করতে পারবেন। সোলার থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ প্রথমে নিজেরা ব্যবহার করবেন। ব্যবহারের পর যে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ থাকবে তা সরাসরি পল্লী বিদ্যুতের জাতীয় গ্রিডে চলে যাবে।

এই পদ্ধতিকে নেট মিটারিং বলা হয়। গ্রিডে সরবরাহ করা বিদ্যুতের দাম গ্রাহকের মাসিক বিদ্যুৎ বিলের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে। যদি গ্রাহকের উৎপাদিত বিদ্যুৎ তার ব্যবহারের চেয়ে বেশি হয়, তাহলে পল্লী বিদ্যুৎ প্রতি ইউনিট ১০.৫০ টাকা হারে গ্রাহককে টাকা পরিশোধ করবে। এই টাকা প্রতি ৩ মাস পর পর সরাসরি গ্রাহকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হবে।

উপ-মহাব্যবস্থাপক মো: সিফাতুল্লাহ আরও বলেন, “যারা আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৭-এর মধ্যে সোলার সিস্টেম চালু করে গ্রিডে বিদ্যুৎ দেওয়া শুরু করবেন, তারা ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০৩০ পর্যন্ত এই ১০.৫০ টাকা প্রণোদনা পাবেন। এতে একদিকে বিদ্যুৎ বিল শূন্যের কোঠায় নামবে, অন্যদিকে বাড়তি আয়ের সুযোগ তৈরি হবে। লোডশেডিংয়ের সময় ব্যাটারি ব্যাকআপের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে।”

আগ্রহীদের প্রথমে বিদ্যুৎ বিভাগের রুফটপ সোলার ক্যালকুলেটরের মাধ্যমে ছাদের পরিমাপ অনুযায়ী সক্ষমতা যাচাই করতে হবে। এরপর নিকটস্থ পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। পল্লী বিদ্যুতের কারিগরি টিম গ্রাহকের ছাদ, ওয়্যারিং ও লোড পরিদর্শন করবে। প্যানেল ও ইনভার্টার অবশ্যই SREDA অনুমোদিত হতে হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে একটি দ্বিমুখী (Bi-directional) মিটার স্থাপনের মাধ্যমে সংযোগ দেওয়া হবে।

সভা শেষে সাংবাদিক ও ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন উপ-মহাব্যবস্থাক মো. সিফাতুল্লাহ।